নারীবাদীরা ফিতরাতের বাইরে নারী-পুরুষ সমতার পক্ষে লড়াই করতে গিয়ে একটা পর্যায়ে নারীকে স্রেফ ভোগের সামগ্রীতে পরিণত করে। এজন্য যেই পশ্চিমা সমাজে নারী অধিকার ও নারী ক্ষমতায়ন নিয়ে এত মাতামাতি, খোদ সেখানেই নারীবাদীদের কুরুচিপূর্ণ যৌনাচার, বর্ণবাদ, পুরুষনিগ্রহ এবং ক্ষমতার বিকার সভ্যতা ও নৈতিকতার যাবতীয় মাত্রা ছাপিয়ে গেছে। কিন্তু দুনিয়াব্যাপী নারীবাদীদের সেইসব অব্যাহত অপকর্মের কতটুকু আপনি জানেন? নারীবাদ কি আসলেই নারী-পুরুষ সমতার কথা বলে? নাকি সমতার ছদ্মাবরণে নারীকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলাই তাদের অভীষ্ট লক্ষ্য? সমাজ, রাষ্ট্র ও টিভি-মিডিয়ার সর্বত্র কীভাবে তারা ষড়যন্ত্রের জাল বিছিয়ে ওত পেতে বসে আছে—এসব রহস্য উন্মোচন করে এই বইটি আপনাকে নারীবাদীদের প্রবঞ্চনা, অর্থলালসা, পুরুষবিদ্বেষ ও হন্তারক মনোবৃত্তির দুর্লভ সব খবর সরবরাহ করবে; আপনাকে করে তুলবে নারীবাদী সম্পর্কে আরও বেশি সজাগ ও সমঝদার।
বব লুইস"বব লুইস। সম্ভবত এটি লেখকের আসল নাম নয়। নারীবাদীদের আক্রমণ এড়াতে তিনি এই ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন। কেননা, লেখক বেশ ভালোভাবেই অবগত, ফেমিনিস্টদের প্রোপাগান্ডা সম্পর্কে কথা বললে তাকে নির্দয়ভাবে আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু করা হবে। অতীত ইতিহাসে এমন উদাহরণ অসংখ্য। লেখক জীবনের প্রথম আঠারো বছরের পনেরো বছরই কাটিয়েছেন সরকারি শিশু আশ্রমে। এই পুরো সময়জুড়ে তিনি অসংখ্যবার শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর তিনি পারিবারিক আইন এবং এর সাথে সম্পর্কিত ফৌজদারি আইনে বিশেষজ্ঞ হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কাজ করেছেন শিশু নির্যাতন, যৌন নিপীড়ন, পারিবারিক সহিংসতা সম্পর্কিত অসংখ্য মামলা নিয়ে। নিজের জীবনে ঘটে যাওয়া নারীবাদী সংস্কৃতির ভয়ংকর অভিজ্ঞতা তাকে এই বই লেখার রসদ জুগিয়েছে। দারুণ মুনশিয়ানায় তিনি তুলে ধরেছেন পশ্চিমা সমাজে নারীবাদের দৌরাত্ম্য এবং অগণিত কুকর্মের ইতিহাস। "