

ইসলামী শরীয়াতের শাশ্বত অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে প্রাচ্যবিদ, মডার্নিস্ট ও কুরআনিস্টরা (বা হাদিস অস্বীকারকারীরা) যে দাবি, সংশয় ও আপত্তিগুলো উত্থাপন করে থাকে, তার মাঝে উল্লেখযোগ্য একটি হলো—নববী যুগে হাদিস সংকলন করা হয়নি; বরং নবীজির পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা ছিল হাদিস লিখে রাখার ব্যাপারে। তাই নবী ও সাহাবা-যুগে যথাযথভাবে হাদিস সংকলিত হয়নি। নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৃত্যুর প্রায় ২০০ বছর পর, হিজরি তৃতীয় শতাব্দীতে এসে বিচ্ছিন্নভাবে হাদিস সংকলন শুরু হয়। তাই এ-অস্বচ্ছতা ও অনিশ্চয়তাপূর্ণ হাদিস শরীয়াতের উৎস বা দলিল হিসেবে গণ্য হতে পারে না। বিশুদ্ধ ইতিহাসের আলোকে এ-দাবি, সংশয় বা আপত্তির অসারতা প্রমাণে পাকিস্তানের সাবেক গ্র্যান্ড মুফতি মুহাম্মাদ রফী উসমানী রহিমাহুল্লাহ রচনা করেছেন এ-প্রামাণ্য গ