

ইউরোপের উন্নতি ও আফ্রিকার অবনতি কোনো আলাদা ঘটনা নয়। বরং তা মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। ইউরোপ সমৃদ্ধ হয়েছে আফ্রিকার সম্পদ লুট করে। তাদের উন্নতি, শিল্পায়ন এবং আধুনিকতার ভিত গড়ে দিয়েছিল আফ্রিকার প্রাকৃতিক ও মানব সম্পদ। দাস ব্যবসা থেকে ঔপনিবেশিক শাসন—সবকিছুই ছিল সেই লুটপাটের অংশ। লক্ষ্য ছিল—আফ্রিকাকে নিঃশেষ করে ইউরোপে পুঁজিবাদের বিকাশ ঘটানো। ঔপনিবেশিক শাসন শেষ হয়েছে। কিন্তু আফ্রিকার শরীরে আজও রয়ে গেছে সেই ক্ষতচিহ্ন। দখলদাররা শুধু লুটপাট করেই ক্ষান্ত হয়নি। তারা চাপিয়ে দিয়েছিল এমন-এক অর্থনৈতিক কাঠামো, যা ধ্বংস করে দিয়েছে আফ্রিকার নিজস্ব শিল্প। দুর্বল অর্থনীতি এখনো তাদেরকে বেঁধে রেখেছে বৈশ্বিক পুঁজিবাদের শৃঙ্খলে। ওয়াল্টার রডনির এই গবেষণা আমাদের সামনে তুলে ধরে সেই শোষণ ও লুটপাটের ইতিহাস। সমকালীন বিশ