আখলাক মুমিনের ভূষণ। এই ভূষণের সৌন্দর্যে মোহিত হয়ে ইসলামের ছাঁয়াতলে এসেছে শত-সহস্র বনি আদম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও তাঁর সাহাবিগণ ছিলেন উত্তম চরিত্রের সর্বোচ্চ উপমা। তাঁদের পরশধন্য মুমিনদের আখলাক ছিল ঈর্ষণীয়। দুনিয়ার তাবৎ সাম্রাজ্য-সভ্যতা শির নত করেছিল তাঁদের চারিত্রিক শক্তির নিকট। কিন্তু সেই মুমিনদের আখলাকের এখন এ কী দশা! আধুনিক যুগে যুবকদের অন্যতম প্রধান সমস্যার নাম চারিত্রিক পদস্খলন। বিশেষত সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে এই সমস্যার ভয়াবহতা আমরা প্রতিনিয়ত প্রত্যক্ষ করছি। তরুণ প্রজন্মকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে দ্রুতই আমাদের নববি আখলাকের দিকে ধাবিত হতে হবে। ধারণ করতে হবে সাহাবায়ে আজমাইনের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য। এই বইটিতে কুরআন, হাদিস ও সিরাতের আলোকে মুমিনের আখলাকের চিত্র অত্যন্ত চমৎকারভাবে তুলে ধরা হয়েছে। সমসাময়িক উদাহরণ তুলে ধরায় বইটি হয়েছে অধিকতর জীবন্ত।
Dr. Yasir Qadhi"ড. ইয়াসির ক্বাদি । জন্ম আমেরিকায় ১৯৭৫ সালে । হুস্টন ইউনিভার্সিটি থেকে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর ওপর বিএসসি করেছেন। ইসলামের প্রতি অনুরক্ত হয়ে মদিনা ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ে যান উচ্চতর অধ্যয়ন করতে। প্রথমে ‘হাদিস ও ইসলামি শাস্ত্র' অনুষদ থেকে আরবি ভাষার ওপর ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে দাওয়াহ অনুষদ থেকে ইসলামি ধর্মতত্ত্বের ওপর মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। আমেরিকায় ফিরে এসে ইয়েল ইউনিভার্সিটি থেকে ধর্মতত্ত্বে পিএইচডি করেন। ২০০১ সাল থেকে তিনি আল মাগরিব ইন্সটিটিউট-এর একাডেমিক বিভাগের ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া অধ্যাপনা করছেন টেনিসির রোডস কলেজের ধর্মশিক্ষা বিভাগে । সোশ্যাল মিডিয়াতে অব্যাহতভাবে কথা বলছেন সমসাময়িক ইস্যু ও ইসলামের মৌলিক নীতিমালা নিয়ে । ২০১১ সালে দ্যা নিউইয়র্ক টাইমস -এর এক নিবন্ধে ইয়াসির ক্বাদিকে আমেরিকায় ইসলামের সবচেয়ে প্রভাবশালী পণ্ডিতদের একজন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর রচিত গ্রন্থসমূহ বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় এবং নানান ভাষায় অনূদিত হচ্ছে। "