একটি রাষ্ট্র যখন পরমাণু শক্তি অর্জনের সিদ্ধান্ত নেয়, তখন সেটা আর শুধুই বৈজ্ঞানিক প্রকল্প থাকে না। শুরু হয় গোপন পরিকল্পনা, আন্তর্জাতিক চাপ, কূটনৈতিক টানাপোড়েন, প্রযুক্তি সংগ্রহ এবং অসম এক প্রতিযোগিতার নতুন বাস্তবতা। পাকিস্তানের পারমাণবিক কর্মসূচির পেছনে কী ছিল? কোন পরিস্থিতি একটি দেশকে পরমাণু অস্ত্র তৈরির পথে ঠেলে দিয়েছিল? কীভাবে বিজ্ঞানী, সামরিক নেতৃত্ব, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত একে অপরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এগিয়ে নিয়েছিল এই উচ্চাভিলাষী প্রকল্প? আন্তর্জাতিক শক্তিগুলো কীভাবে এই প্রচেষ্টাকে থামানোর চেষ্টা করেছিল? আর একটি রাষ্ট্র তার অস্তিত্ব ও নিরাপত্তার প্রশ্নে কতদূর যেতে পারে? আবার মুসলিম বিশ্ব কেন পাকিস্তানকে এই পারমাণবিক শক্তি অর্জনে সহযোগিতা করেছিল? কেন পশ্চিমা বিশ্ব একে ‘ইসলামি পারমাণবিক বোমা’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিল?
Ziaul Haque"কুষ্টিয়ার সন্তান জিয়াউল হক। জন্ম ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬০ । তৎকালীন পাকিস্তান নৌবাহিনীতে কর্মরত পিতার কর্মস্থল করাচিতেই কেটেছে শৈশব, কৈশোর আর তারুণ্যের দিনগুলো। ৭৪-এ কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুরের ফিলিপনগরে প্রত্যাবর্তন। মেন্টাল হেলথ নার্সিং, মেন্টাল হেলথ, সাইকিয়াট্রিক রিহাবিলিটেশন-এ পড়াশোনা করেছেন তিনি। সর্বশেষ ইংল্যান্ডের ব্রিস্টল ইউনিভার্সিটি থেকে মেন্টাল হেলথ, ইএমআই এবং ডিমেনশিয়া ম্যানেজমেন্ট কোর্স শেষ করে ইংল্যান্ডেই একটি বেসরকারি মেন্টাল হাসাপতালের ডেপুটি ম্যানেজার এবং ক্লিনিকাল লিড হিসেবে কর্মরত ছিলেন । নাবিকের নোঙ্গর হয় ঘাটে ঘাটে । শৈশবেই খেলাচ্ছলে কলম হাতে নিয়ে লিখতে বসা । একজন নাবিক পিতার সন্তান লেখক জিয়াউল হকও জীবনের দুই-তৃতীয়াংশ সময়ই দেশের বাইরে কাটিয়েছেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ পেরিয়ে চাকরির সুবাদে ইংল্যান্ডে স্থায়ীভাবে অবস্থান করে এখন নিয়মিত লেখালেখি করছেন । এ পর্যন্ত তার ২২টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে । তন্মধ্যে ‘বই খাতা কলম, মানব সম্পদ উন্নয়নে আল-কুরআন, ব্রিটেনে মুসলিম শাসক, বাংলাদেশের শিক্ষানীতি ও শিক্ষাব্যবস্থা, ইসলাম : সভ্যতার শেষ ঠিকানা, ইসলামি শাসন ব্যবস্থা : মৌলিক দর্শন ও শর্তাবলি, ধরণীর পথে পথে, অন্তর মম বিকশিত করো' অন্যতম। "