আড়াই হাজার বছর আগে গ্রিকো-হেলেনিক ঐতিহ্যের কফিন থেকে বেরিয়ে এসেছে ল্যাটিন সভ্যতা। আধুনিক পশ্চিমা বিশ্ব সেই ল্যাটিন সভ্যতারই ধারাবাহিকতা মাত্র। মাঝে কয়েকটি শতক ইসলামি সভ্যতার উত্থানে সে দিশেহারা হয়ে উ™£ান্ত কাল কাটিয়েছে বটে, তবে ঠিকই ঘুরে দাঁড়িয়েছে মুসলিম উম্মাহর দুর্বলতা ও দায়িত্বহীনতার সুযোগে, অচিরেই হয়ে উঠেছে ইসলামের প্রধানতম প্রতিপক্ষ। প্রত্যেক যুগে পৃথিবীর সকল সভ্যতা কেন শুধু ইসলামের বিপক্ষেই ঐক্যবদ্ধ হওয়ার তাড়না বোধ করে? ইসলামের সঙ্গে গোটা বিশ্বের সংঘাতময় সম্পর্কের সূত্র কোথায়? এর মূল কারণটাই-বা কী? কোন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে আজ এ পর্যায়ে এসে দাঁড়িয়েছে পাশ্চাত্য সভ্যতা ও ইসলাম? এসব মৌলিক প্রশ্নের উত্তর খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে এই গ্রন্থটিতে। চলুন তবে ইতিহাসের ডানায় ভর করে ঘুরে আসি ইসলাম ও পাশ্চাত্যের সেই দ্বন্দ্বমুখর রক্ত পিচ্ছিল পথে। আত্মসন্ধানের অভিষ্ট লক্ষ্যে অভিযাত্রী হই আমি, আপনি, সকলেই।
Ziaul Haque"কুষ্টিয়ার সন্তান জিয়াউল হক। জন্ম ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬০ । তৎকালীন পাকিস্তান নৌবাহিনীতে কর্মরত পিতার কর্মস্থল করাচিতেই কেটেছে শৈশব, কৈশোর আর তারুণ্যের দিনগুলো। ৭৪-এ কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুরের ফিলিপনগরে প্রত্যাবর্তন। মেন্টাল হেলথ নার্সিং, মেন্টাল হেলথ, সাইকিয়াট্রিক রিহাবিলিটেশন-এ পড়াশোনা করেছেন তিনি। সর্বশেষ ইংল্যান্ডের ব্রিস্টল ইউনিভার্সিটি থেকে মেন্টাল হেলথ, ইএমআই এবং ডিমেনশিয়া ম্যানেজমেন্ট কোর্স শেষ করে ইংল্যান্ডেই একটি বেসরকারি মেন্টাল হাসাপতালের ডেপুটি ম্যানেজার এবং ক্লিনিকাল লিড হিসেবে কর্মরত ছিলেন । নাবিকের নোঙ্গর হয় ঘাটে ঘাটে । শৈশবেই খেলাচ্ছলে কলম হাতে নিয়ে লিখতে বসা । একজন নাবিক পিতার সন্তান লেখক জিয়াউল হকও জীবনের দুই-তৃতীয়াংশ সময়ই দেশের বাইরে কাটিয়েছেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ পেরিয়ে চাকরির সুবাদে ইংল্যান্ডে স্থায়ীভাবে অবস্থান করে এখন নিয়মিত লেখালেখি করছেন । এ পর্যন্ত তার ২২টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে । তন্মধ্যে ‘বই খাতা কলম, মানব সম্পদ উন্নয়নে আল-কুরআন, ব্রিটেনে মুসলিম শাসক, বাংলাদেশের শিক্ষানীতি ও শিক্ষাব্যবস্থা, ইসলাম : সভ্যতার শেষ ঠিকানা, ইসলামি শাসন ব্যবস্থা : মৌলিক দর্শন ও শর্তাবলি, ধরণীর পথে পথে, অন্তর মম বিকশিত করো' অন্যতম। "