

প্রচলিত শিক্ষা মানুষকে ভোগবাদী হতে উদ্বুদ্ধ করে। এ শিক্ষায় শিক্ষিত বেশিরভাগ মানুষ ন্যায়-অন্যায় এবং নৈতিক-অনৈতিকের সীমারেখা সংরক্ষণ করতে পারে না। ফলে জড়িয়ে যায় নানান পাপাচারে। অপরদিকে ইসলামের সুশীতল ছায়ায় বেড়ে ওঠা শিশুরা—পাপাচার থেকে যথাসম্ভব নিজেদের বাঁচিয়ে রাখে। ন্যায়-অন্যায় ও নৈতিক- অনৈতিকের সীমারেখা মেনে চলে। লেখক মুহাম্মদ শহিদুল ইসলাম এই ব্যাপারে বলেন, ‘সাহেব নিজের সন্তানদের লালন-পালন ও লেখাপড়া করাতে গিয়ে, সব স্তরেই সক্রিয় ভূমিকা পালনের চেষ্টা করেছি। বাংলা পড়াতে গিয়ে নিজের মনোমতো একটি ডায়েরি সাজিয়েছিলাম। বাংলা ব্যাকরণের যাঁতাকলে শিশুদের না পিষে, একটু অন্যভাবে বর্ণ, বর্ণের উচ্চারণ, কার, মাত্রা, শব্দ গঠন, যুক্তাক্ষর ইত্যাদি শেখানোর চেষ্টা করেছিলাম। আলহামদু লিল্লাহ! আশানুরূপ ফল পাই। ওই ডায়