"বাচ্চা মানুুষ করা, আরও ভালোভাবে বললে ইসলামি আদর্শে মানুষ করা সহজ কথা না। আমাদের নিজেদের আর চারপাশের যা অবস্থা, তাতে বাচ্চাদের সুস্থ মানসিক বিকাশ এই সময়ে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। আমার বাচ্চারা আজেবাজে বন্ধুদের পাল্লায় পড়ল কি না, মাদক ধরল কি না, গ্যাংবাজিতে জড়াল কি না, সবচেয়ে বড়ো কথা আল্লাহ এবং তাঁর রাসুলকে ভালোবেসে ইসলামি আদর্শে বেড়ে উঠছে কি না -এ নিয়ে আমাদের সদা সংশয়। তবে মজার বিষয়, অন্য আরও নানান সমস্যার মতো এই সমস্যাতেও ত্রাতা হিসেবে আছেন আমাদের প্রিয়নবি মুহাম্মাদ ﷺ। তাঁর নিজের চার কন্যা তো বটেই, তাঁর পবিত্র হাতে কত যে কিশোর-তরুণ সাহাবি মানুষ হয়েছেন, ইসলামি আদর্শের সেনানি হয়েছেন, তার সংখ্যা বেশুমার। প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এন্তার শিশু-কিশোরের নেপথ্য রূপকার আমাদের নবিজি। ভাববেন না সেই সময়ের চ্যালেঞ্জ আজ থেকে কোনো অংশে কম ছিল। কিন্তু স্মার্ট মানুষেরা নিজের প্রখর প্রজ্ঞা আর বুদ্ধির দীপ্তিতে পরিস্থিতি যা-ই হোক- সবকিছু নিজের অনুকূলে নিয়ে আসেন। বইটি পড়ে সন্তান মানুষ করার তেমনই কিছু স্মার্ট তরিকা জেনে নেব নবিজির জীবন থেকে। "38
মাসুদ শরীফআমার প্রথম জন্ম হয়েছিল রাত ১.০০ টার দিকে। যে কারণে কেউ বলে আমার জন্ম সোমবারে, কেউ বলে মঙ্গলবারে। প্রথমবার জন্মেছিলাম মানুষ হয়ে। সে ১৯৮৭ সালের কথা। আমার দ্বিতীয় জন্ম মুসলিম হয়ে। মুসলমানের ঘরে জন্ম নিয়েও প্রথম দফায় মুসলিম হতে পারিনি। অনেকেই নাক সিঁটকাবে আমি তাদের ভাষার 'মানুষ' নই বলে। আল্লাহর দয়ায় তথাকথিত মানুষ নামের উনমানুষ না হয়ে মুসলিম হয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ! নিজের অনিচ্ছায় পড়াশোনা করেছি ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে। সেই পাঠ চুকিয়ে এখন পুরোদস্তুর পাঠক-লেখক-অনুবাদক। স্ত্রী, দুই কন্যা, বাবা-মা, বোনদের নিয়ে দুনিয়ার মুসাফিরখানায় বেশ আছি। সব তারিফ আল্লাহর।