একজন মানুষ কখনোই শুধুমাত্র তার অন্তরের বিশ্বাসের কারণে জান্নাতি বা জাহান্নামী হবে না, বরং তার কর্মের দিকটিই তার অনন্তকালের ফলাফল নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। আর তাই ইসলাম শুধু কিছু বিশ্বাসের সমষ্টিই নয়, এটা বিশ্বাসের পাশাপাশি জীবন ব্যবস্থায় সেই বিশ্বাসের প্রায়োগিক রূপও। আল্লাহ সুবহানু ওয়া তায়ালা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাধ্যমে আমাদের জন্য এমন এক দ্বীন পাঠিয়েছেন যা আমাদেরকে পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয়, আন্তর্জাতিক প্রতিটা ক্ষেত্রে আমাদের করণীয় কি তা শিখিয়েছে হাতে কলমে। তাই অমুসলিমরা সাহাবীদের কাছে বিস্ময় প্রকাশ করে জানিয়েছে, তোমাদের রাসূল তোমাদেরকে পায়খানা, প্রশ্রাব কিভাবে করতে হয় সেটাও শেখায়? হ্যাঁ, আমাদের দ্বীন ইসলাম স্ত্রীর সাথে সহবাসের আদাবও শিখিয়েছে। আর এই দ্বীন ইসলামের মানদণ্ডে সবচেয়ে উত্তম্ন সেই ব্যক্তি যে তার জীবনের প্রতিটা ক্ষেত্রে ইসলামের এই সুন্নাত, শিষ্টাচারকে প্রাধান্য দেয়, যে পরিবার, সমাজ, রাষ্ট্র সবক্ষেত্রে আল্লাহর দ্বীন এবং তার রাসূলের আদর্শকে অনুসরণ করে। যে তার আখলাক, আচার আচরণ, শিষ্টাচারকে ইসলামের রঙে রাঙায়।