"ধরুন, আপনি কারও বক্তব্যের সত্যতা নির্ধারণের চেষ্টা করছেন। আপনার সন্দেহ, লোকটি মিথ্যা বলছে বা তথ্য গোপন করছে। আপনি বুঝতে পারছেন না, লোকটির বক্তব্যের কোন অংশটুকু সত্য আর কোন অংশটুকু মিথ্যা। এমন অবস্থায় কী করবেন? মানুষের বক্তব্যের সত্যতা নির্ধারণের জন্য রয়েছে মহাস্ত্র। ব্যক্তির উচ্চারিত শব্দ বা লিখিত জবানবন্দি তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে। বিশ্বাসঘাতক এই সমস্ত শব্দ চিহ্নিত করতে পারলে ব্যক্তি সত্য বলছে, নাকি মিথ্যা বলছে, তা সহজেই নির্ধারণ করা যায়। এ ছাড়া কোনো ব্যক্তি তথ্য গোপন করে থাকলে তাও বের করা যায়। বক্তব্য বা জবানবন্দি বিশ্লেষণ করে সত্য-মিথ্যা নির্ধারণের উপায় আমি জানি তুমি মিথ্যা বলছ বইটিতে বাস্তব উদাহরণসহ সহজ ভাষায় বর্ণিত হয়েছে।"
মো. তওফিক মাহবুব চৌধুরী।পেশাদার জীবনে পুলিশ কর্মকর্তা। জন্ম ১৯৭০ সালে সিলেট জেলায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন অর্থনীতিতে। ১৫তম বিসিএস-এর মাধ্যমে ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগদান। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর কম্বোডিয়া, লাইবেরিয়া ও সুদান মিশনে ইউনিফর্ম পুলিশ অফিসারের দায়িত্ব পালন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি, সেন্ট্রাল পুলিশ অ্যাকাডেমি নুজিয়াং ও এশিয়া প্যাসিফিক সেন্টার ফর সিকিউরিটি স্টাডিজ হাওয়াইতে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন। কর্মজীবনে লেখক বরিশাল ও রাজশাহী জেলার পুলিশ সুপার ছিলেন। তিনি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চে বিভিন্ন সময়ে দায়িত্ব পালন করেছেন। অতিরিক্ত আইজিপি মো. তওফিক মাহবুব চৌধুারী সর্বশেষ বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি সারদা রাজশাহীর প্রিন্সিপালের দায়িত্ব পালন করছেন। পেশাদার জীবনের পাশাপাশি বুদ্ধিবৃত্তির জগতে তিনি বিচরণ করেছেন সচেতনভাবে। অভিজ্ঞতালব্ধ জ্ঞান ছড়িয়ে দিতে চান প্রজন্মের মানুষকে। আমি জানি তুমি মিথ্যা বলছ তার প্রথম গ্রন্থ। অপর গ্রন্থ বক্তৃতার গল্প।