হারিয়ে যাওয়া হায়দারাবাদ
আবদুল হাই শিকদারআবদুল হাই শিকদার বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট কবি, প্রাবন্ধিক ও সাংবাদিক। জন্ম ১৯৫৭ সালের ০১ জানুয়ারি, কুড়িগ্রামের দুধকুমার নদীর তীরে দক্ষিণ ছাট গোপালপুর গ্রামে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ১৯৭৯ সালে বাংলায় স্নাতক, এরপর দীর্ঘ বিরতি শেষে শান্ত মরিয়ম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০৬ সালে বাংলা সাহিত্যে স্নাতকোত্তর সমাপ্ত করেন। সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রায় সকল অঙ্গনে স্বতন্ত্র কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখলেও অন্দরে তিনি নিঃসংশয় ও নিঃসংকোচের কবি, ধ্বনির দুর্ভেদ্য শিকারি। সাম্য, মানবতা, মুক্তি ও স্বদেশ চেতনা তাঁর সাহিত্যের প্রধান উপজীব্য। জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও স্বজাতির মুক্তির প্রশ্নে তিনি আগাগোড়া আপসহীন; সময়ের সংকটে সংগ্রামী সচেতন। দীর্ঘ চার দশক নিরলস কাজ করেছেন প্রথম সারির একাধিক গণমাধ্যমে, ছিলেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের টানা দুই টার্মের নির্বাচিত সভাপতি। এ ছাড়া কবি নজরুল ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে কর্মরত আছেন। এযাবৎ তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থসংখ্যা ১২০-এর অধিক, তন্মধ্যে কাব্যগ্রন্থ : আশি লক্ষ ভোর (১৯৮৭) আগুন আমার ভাই (১৯৯১) রেলিঙ ধরা নদী (১৯৯২) যুগলবন্দী ভূগোলময় [যৌথ] (১৯৯২) মানব বিজয় কাব্য (১৯৯২) এই বধ্যভূমি একদিন স্বদেশ ছিলো (১৯৯৭) লোডশেডিং নামিয়াছে (২০০১) দুধকুমারের জানালাগুলি (২০০১) সুন্দরবন গাথা (২০০৩) মেঘমাতৃক ধাতুতান্ত্রিক (২০০৪) হাফিজ, এই যে আমার দরখাস্ত (২০০ প্রবন্ধগ্রন্থ : বাংলাদেশের পথ (২০০১) জানা অজানা মওলানা ভাসানী (২০০১) বাংলা সাহিত্যে : নক্ষত্রের নায়কেরা (২০০৩) সময় ও সমাজ স্বদেশের প্রচ্ছদ (২০১২) সচল বাংলাদেশ : আবর্তনের স্থিরচিত্র (২০০৮) ঢাকার ভবিষ্যৎ : বাংলাদেশের শত্রুভাগ্য (২০০৮) সন্