এর বিপরীতে আমাদের যদি সভ্যতা বিনির্মাণে ইসলাম ও মুসলমানদের অবদান সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকে, তাহলে পশ্চিমা জগতের জাহেলিয়াতি ও মিথ্যা দাবিকে যথাযথভাবে মোকাবিলা করতে পারর। সেইসঙ্গে মুসলমানদের সম্বন্ধে যে ধরনের সহিংস, বর্বর ও অসভ্য ভাবমূর্তি তৈরি করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে একটি মোক্ষম জবাব দিতে সক্ষম হব। দেখাতে পারব আমাদের অসংখ্য সুপার হিরো কী পরিমাণ পরীক্ষণ, পর্যবেক্ষণ, বিবেচনাবোধ ও পেশাদারিত্বের মধ্য দিয়ে নিজেদের কাজগুলোকে সম্পন্ন করে গেছেন। ‘বিশ^সভ্যতা বিনির্মাণে মুসলমানদের অবদান’ বইটি তারই ক্ষুদ্রতম প্রয়াস।
আলী আহমাদ মাবরুরআলী আহমাদ মাবরুর। পেশায় সাংবাদিক। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ সক্রিয়। ইংরেজি সাহিত্যে অনার্স করে ভর্তি হয়েছিলেন মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে। সেখান থেকে ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্যে মাস্টাস সম্পন্ন করেছেন কৃতিত্বের সাথে। মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাবর্তনে কলা অনুষদের পক্ষে তিনি একমাত্র গোল্ড মেডেলপ্রাপ্ত ছাত্র ছিলেন। ছাত্রজীবনেই যোগ দেন একটি জাতীয় দৈনিকে সাব-এডিটর হিসেবে। পরবর্তী সময়ে আরও বেশ কয়েকটি পত্রিকায় ও নিউজ পোর্টালে কাজ করে যোগ দেন দিগন্ত টেলিভিশনের ইংরেজি সংবাদ বিভাগে। পরবর্তী সময়ে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে অনুবাদ, ভয়েজ ওভার ও চিত্রনাট্য তৈরিসহ নানা কাজ করেছেন। জাতীয় ও সাপ্তাহিক দৈনিকে তাঁর নিয়মিত কলাম প্রকাশিত হয়, যা ইতোমধ্যেই সচেতন পাঠক সমাজে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। 'ডেসটিনি ডিজরাপ্টেড : ইসলামের চোখে পৃথিবীর ইতিহাস' অনুবাদকের প্রথম অনূদিত গ্রন্থ।